৫ই এপ্রিল, ২০২৫

শীতের শুরুতে বাড়ছে সাইনাসের যন্ত্রণা, স্বস্তি মিলবে যেভাবে

শেয়ার করুন

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়ার যে পরিবর্তন ঘটে, সেই সঙ্গে দেখা দেয় নানা রকম শারিরীক অসুস্থতা। বিশেষ করে শীতকাল পড়তেই মানুষ ঠান্ডাজনিত নানা সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন। তার মধ্যে সাইনাসের সমস্যা অন্যতম।

সাইনাস মাথার এমন একটি অংশ, যার কাজ নাকের ভিতর দিয়ে বাতাস চলাচলে সাহায্য করা। এই সাইনাসগুলো কোনো কারণে যখন সংক্রমিত হয় তখন এর মধ্যে এক ধরনের প্রদাহ তৈরি হয়। আর সাইনাসের প্রদাহকেই সাইনোসাইটিস বলে। এর ফলে নাকের ভিতর দিয়ে বাতাস চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

ফলে মাথা ব্যাথা, মাড়ি ও দাঁতে চাপ বা ব্যথা, নাক বন্ধ বা বাধা, জ্বর, কাশিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও নাকের চারপাশে, গালে, চোখের নিচে এবং কপালে চাপ অনুভব হয়।

যাদের এলার্জি ও হাঁপানি রয়েছে অন্যদের তুলনায় সাইনোসাইটিসের ঝুঁকিতে তারা বেশি থাকে। সাইনাসের সমস্যা জটিল জায়গায় পৌঁছে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তবে কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চললে এটা ঠেকিয়ে রাখা যায় অনেকটাই। যেমন-

১. সাইনাসের সমস্যার সহজ সমাধান বেশি পরিমাণে পানি খাওয়া। বেশি করে পানি খেলে সাইনাসের মধ্যে জমা ময়লা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তাতে নাক পরিষ্কার হয়, ব্যথা কমে। বেশি করে তরল খাবার খেলেও এই সমস্যা কমে।

২. সর্দি-কাশির সমস্যা কমাতে অনেকেই গরম পানি পাত্রে রেখে ভাপ নেন। এ গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাসের এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিলে উপকার পাওয়া যাবে। এছাড়াও সব কিছু গরম করে খাওয়ার চেষ্টা করুন। গরম চা থেকে শুরু করে গরম খাবার, সবই সাহায্য করে। সারা দিনে বেশ কয়েক বার চা খেতে পারেন। গরম পানীয় ভিতরে গেলে জমে থাকা কফ বাইরে বেরিয়ে আসবে। তাতে শরীর আর্দ্র থাকবে।

৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পুষ্টিকর ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে।

৪. ঘরে কার্পেট ব্যবহার করলে ডাস্ট জমে অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন ঘটাতে পারে। তাই কার্পেট ঘনঘন পরিষ্কার রাখতে হবে যাতে ময়লা না জমে।

৫. ধুলাবালি থেকে দূরে থাকতে বাইরে গেলে সবসময় মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

৬. ধূমপান ত্যাগ করা।

৭. অ্যারোসোল, মশার কয়েলসহ যেকোনো স্প্রে থেকে দূরে থাকা।

শেয়ার করুন

আরও পড়ুন