প্রকাশের সময়:
শনিবার ৫ জুন ২০২১ ০১:৫৩:০০অপরাহ্ন

অবাস্তবায়নযোগ্য-স্বজনতোষণের বাজেট

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী,

নিজস্ব প্রতিবেদক   >>

প্রস্তাবিত বাজেটকে বাস্তবায়নযোগ্য নয় বলে মনে করছেন বিএনপি নেতারা। তারা মনে করছেন এ বাজেট প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কথা ভেবে করা হয়নি। এছাড়া বড় অংকের ঘাটতি রেখে বাজেট প্রস্তাব করাকে অপ্রাসঙ্গিক ও কল্পনাপ্রসূত বলে মনে করছেন। 

অর্থমন্ত্রীর ঘোষিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন এসব মন্তব্য করেন।

আমীর খসরু বলেন, ‘এই বাজেট স্বজনতোষণের বাজেট। এই সরকার স্বজনতোষণের অর্থনীতি চালু করেছে। এর মাধ্যমে তাদের ব্যাংক ব্যালেন্স আরও বড় হতে থাকবে – এটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। 

দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার যে সহায়তা দিয়েছে তাকে ‘লোক দেখানো উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, ‘যে সমস্ত বরাদ্দ তারা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য দিয়েছে এটা লোক দেখানো। ৫-৬ কোটি মানুষের মাথাপিছু ১ শ টাকাও পড়বে না।  করোনার সময়ে যখন মানুষ দুঃসহ জীবনযাপন করছে। তখন ২ হাজার মানুষের কালো টাকা সাদা হয়েছে। কত হাজার লোক কোটিপতি হয়েছে। আর সরকার বলছে, মাথাপিছু আয় বেড়েছে।’

শাহদাত বলেন, ‘জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রীর ঘোষিত ৬ লাখ কোটি টাকার বাজেট শুনতে ভালো লাগছে। কিন্তু এ বাজেটে সোয়া ২ লক্ষ কোটি  টাকার ঘাটতি রয়েছে, যা চ্যালেঞ্জিং। এত বড় ঘাটতি বাজেট দিয়ে স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব নয়। এটি একেবারেই অবাস্তবায়নযোগ্য একটি কল্পনাপ্রসূত বাজেট। এছাড়া এ বাজেটে করোনাকালে দিন আনে দিন খায় এমন শ্রেণির মানুষের জন্য এবং বেকারত্ব মোকাবিলায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এটা কথার ফুলঝুরি ছাড়া আর কিছুই নয়। বিশেষ করে এই মহাদুর্যোগকালে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ালেও দুর্নীতি আরো বেড়ে যাবে। বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কার্যকর সুশাসন, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বস্তরে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই। এই বাজেটে দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। বাজেটের বড় অংশ মেগা প্রকল্পগুলোকে দেওয়া হয়েছে, যেগুলো এরই মধ্যে দুর্নীতির কারণে প্রশ্নবিদ্ধ। এই মুহূর্তে মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যেসব খাতকে অগ্রাধিকার ও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন, তা এ বাজেটে নেই।’

এসবি/কেডি



আরও খবর